পূর্বধলায় ত্রাণ বিতরণের নামে ভোগান্তি, কার্ড ইস্যু করেও দেয়া হয়নি ত্রাণ সামগ্রী

মোঃ জায়েজুল ইসলাম : নেত্রকোনার পূর্বধলায় আজ মঙ্গলবার করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন, অসহায় দুঃস্থ মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার কথা বলে শেষে না দিয়েই ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাজহারুল ইসলাম সোহেল নামে এক ব্যক্তির উপর। এতে উপজেলা সদরের পূর্বধলা প্রেসক্লাব সংলগ্ন হ্যালিপ্যাড মাঠে দিনভর অপেক্ষায় থেকে শেষে ভুক্তভোগীদের খাদ্য সহায়তা না নিয়েই হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে।    
ভুক্তভোগীদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের জুগলী গ্রামের মৃত ইছহাক ফকিরের ছেলে মাজহারুল ইসলাম সোহেল করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন, অসহায় দুঃস্থ মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রথমে স্লিপ দেন। পরে উপজেলা সদরের পূর্বধলা প্রেসক্লাব সংলগ্ন হ্যালিপ্যাড মাঠে লোকজনদের জড়ো হওয়ার জন্য জানিয়ে দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী সাহায্যপ্রার্থীরা সকাল থেকে সেখানে এসে জড়ো হতে থাকে। পরে দুপুরে মাজহারুল ইসলাম সোহেল সঙ্গীয় কয়েকজনদের নিয়ে হঠাৎ করে এসে উপস্থিত কয়েকজনের হাতে কয়েকটি প্যাকেটে তড়িঘড়ি করে দিয়ে দ্রুত চলে যান। এতে খাদ্য সহায়তা নিতে আসা অনেকে সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়।
সাহায্য বঞ্চিত দিঘজান গ্রামের খাদেজা, নাজেরা, আবেদ আলী, খোরশেদ আলী, রুমা, জুলেখা, হাসপাতাল সংলগ্ন, জুলেখা, রজব আলী সহ প্রায় ৫০-৬০জনের সাথে কথা বলে জানা গেছে সকাল থেকে সাহায্য দেওয়ার কথা বলে তাদের এখানে আনা হয়েছে। শেষে মাত্র কয়েকজনকে দিয়ে আর আমাদের না দিয়েই তিনি চলে গেছেন। এ সময় সাহায্য নিতে আসা লোকজনদের সামাজিক দুরত্বের বিষয়টিও মানানো হয় নি।
ইতিপূর্বে মাজহারুল ইসলাম রানার নেতৃত্বে তার নিজ গ্রামে রাস্তায় বেড়িকেড দিয়ে লকডাউন দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। পরে উপজেলা চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম সুজনের মধ্যস্থতায় তা মীমাংসা হয়।    
এ ব্যপারে কথা বললে মাজহারুল ইসলাম সোহেল বলেন, সময় কম থাকায় তরিঘরি করে দিতে গিয়ে কেউ কেউ বাদ পড়েছেন। তবে যারা বাদ পড়েছেন তাদের পরবর্তীতে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।