মনমুগ্ধ  বাঁশির সুরে হৃদয় কাঁপিয়ে  শুধু বাংলাদেশেই নয় সিংঙ্গাপুরের আনন্দ দিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশী  … রবিউল ইসলাম

মনমুগ্ধ  বাঁশির সুরে হৃদয় কাঁপিয়ে  শুধু বাংলাদেশেই নয় সিংঙ্গাপুরের আনন্দ দিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশী  … রবিউল ইসলাম

আলমাছ উদ্দিন, সিংঙ্গাপুর প্রতিনিধি : মনমুগ্ধ  বাঁশির সুরে হৃদয় কাঁপিয়ে  শুধু বাংলাদেশেই নয় সিংঙ্গাপুরের 
বাংলাদেশীরা যারা দেশ ও স্বজনদের দূরে রেখে প্রবাস জীবন সোনার হরিণের পেছনে দৌড়াতে দৌড়াতে  ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত,  সুখ-দুঃখ আর কষ্টের নিঃসঙ্গতা, একাকিত্ব আর হাড়ভাঙা পরিশ্রমি বাংলাদেশীদের  বাঁশির সুরে  ক্লান্ত চির নিঃসঙ্গ মানুষগুলোকে আনন্দ দিয়ে যাচ্ছেন বাঁশি শিল্পী রবিউল ইসলাম। বাঁশিতে গানের সুর নিজের বাঁশিতে তুলছিলেন বাঁশি বাদক রবিউল ইসলাম । কেমন যেন মোহগ্রস্ত হয়ে বাঁশিতে মায়াবী সুর  ।  রবিউল ইসলামের  বাঁশির সুরে খুঁজে ফিরছিলেন যেন নিজেকেই, নিজের হারানো অতীতকে বাঁশিওয়ালা বাঁশি বাজিয়ে মন উজাড়  করে । যেমন আউলা করে ছিলো রাধার মন,  প্রাণ সখীরে ওই শোন কদম্বতলে বংশী বাজায় কে”  এসব গান বাঁশি বাজিয়ে গ্রামগঞ্জের  অনুষ্ঠানে  অর্জন করেছিলেন অনেক সুনাম। সেই বাঁশির সুরে সিংঙ্গাপুরে ও  বাজিয়ে আনন্দদিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বাঁশিন সুর শুনতে শুনতেই কথা ও পরিচয় হয় বাঁশি বাদক রবিউল ইসলাম সাথে। জানান, তার বয়স ৭ বছর বয়সে যখন সে কোন কিছু নিয়ে কান্না করছিলেন । তখন পাশদিয়ে এক বাঁশি ওয়ালা বাশি বাজিয়ে যাচ্ছিল। মা তার কান্না থামানুর জন্য বাশি ওয়ালাকে ডেকে নিয়ে আসে ।এক পর্যায়ে বাঁশি শুনে তার কান্না থেমে যায় । আর সেদিন থেকেই তার মনে বাসা বেঁধে নেয় বাঁশের বাশি । কিছুদিন পর মেলা থেকে কিনে আনে একটি বাশের বাঁশি । আর নিজে নিজে চেষ্টা করতে থাকে । ৯ বছর বয়সে সে তার ওস্তাদ আমজাদ হোসেন এর নিকট বাঁশি শিখার জন্য যায় । এবং দীর্ঘ দিন সে তার কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহন করেন । এই ভাবে চলতে থাকে তার বাঁশির সাথে জীবন । হঠাৎ এলাকাতে আসেন  বাউল শিল্পী মমতাজ এবং মমতাজ এর সাথে তিনটি গানে সে  বাঁশি বাজায় । এবং মমতাজ তার বাঁশি শুনে অনেক পছন্দ করেন এবং তাকে সাথে নিয়ে যেতে চাই । কিন্ত তার মা রাজি না হওয়া তা আর যাওয়া হইনি ।  ২০০৬ এ পাড়ি জমান সিংগাপুরে তার ভাল বাসার বাঁশি কিন্তু তার সাথে । অবসর সময়ে সে বাঁশি বাজাতো । হঠাৎ করে একদিন মনমুগ্ধ  বাঁশির সুরে মন কেড়ে নেয়  সিংঙ্গাপুরে আখতার হোসেন  নামে একজন ব্যান্ড শিল্পীর  সাথে ।   সে ব্যান্ড এর সাথে কাটে দীর্ঘ দিন । এই ভাবে সে নজরে আসে অনেকের শুধু বাংলাদেশীরাই নয় সিংগাপুরের চাইনিজ রাও ভাল বাসে তার বাঁশির সুর । গত চাইনিজ নিউইয়ার এ সিংগাপুর চাইনিজ সংস্থা শিল্পী রবিউল ইসলামকে  আমন্ত্রণ করে তাদের নিও ইয়ার সং কংসি কংসি তে বাঁশি বাজানুর জন্য । সেখানে সে বাঁশি বাজিয়ে বিপুল সারা পান । বর্তমানে সে “মাইগ্রেন্ড ব্যান্ড”  এর অন্যতম একজন সদস্য । এই গুনী শিল্পীর জন্ম মেহেরপুর টুংগি গ্রামে ।  তিনি ছোট বেলা থেকেই ছিলেন দুরন্ত এবং মেধাবি ।