মদনে দেড় বছর পর খুলল বিদ্যালয়  

মদনে দেড় বছর পর খুলল বিদ্যালয়  

মদন প্রতিনিধি : সারা দেশের ন্যায় নেত্রকোনার মদনে ৫৪৩ দিন পর অর্থাৎ প্রায় দীর্ঘ দেড় বছর পর উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে পাঠদান কার্যক্রম। করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে গেল বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। সংক্রমণ কিছুটা কমে আসায় প্রথম ধাপে  প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব স্তরের  শিক্ষা  প্রতিষ্ঠান খুলেছে রোববার থেকে। শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীদের উৎসব মুখর পরিবেশ লক্ষ করা গেছে। উপজেলার প্রতিটি বিদ্যালয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করতে এরই মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। প্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখে সারিবদ্ধভাবে শিক্ষার্থীদের তাপমাত্রা মাপাসহ হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে। শতভাগ শিশুদের মুখে রয়েছে মাস্ক।  শিশুরাও অনেকদিন পর বিদ্যালয়ে  আসতে পেরে আনন্দিত। 
এ উপজেলায় ২টি প্রতিবন্ধী ও অটিজম স্কুল,প্রাথমিক ৯৪টি,মাধ্যমিক ১৬,দাখিল মাদ্রাসা ৮,এফতেদায়ি ৮টি  ও কলেজ ৩টি রয়েছে। তবে বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ে  তুলনা মূলক শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কম লক্ষ করা গেছে।   দীর্ঘদেড় বছর পর বিদ্যালয়ে আসতে পেরে শিক্ষার্থীরা তাদের সার্থীদের সাথে কুশলবিনিময় করছে এবং আনন্দ ভাগাভাগি করছে। বিদ্যালয় গুলো যেন দীর্ঘদিন পর প্রাণ ফিরে পেয়েছে। 
সরজমিনে মদন শহীদ স্বরনিকা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গেলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আক্কাস উদ্দিন শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সকল নির্দেশনা মেনেই ক্লাস পরিচালনা করছেন বলে তিনি জানান। 
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হোসেন জানান,  আমরা বেশ কয়েকটি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি। সকল বিদ্যালয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা বজায়ে রেখে ক্লাস নিচ্ছে। শিক্ষার্থী উপস্থিতি সন্তোষজনক,তবে আরো উপস্থিতি বাড়বে। 
একাডেমিক সুপার ভাইজার জ্যো¯œা আক্তার জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সকল মাধ্যমিক,উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা গুলো শ্রেণি কক্ষ পরিষ্কার পরিছন্ন করে ক্লাস পরিচালনা করছে। কয়েকটি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি। দেড় বছর পর প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও  ভাল। 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ জানান, আমি বেশ কয়েকটি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি। শতভাগ শিশুদের মুখে মাস্ক ও  শ্রেণিতে বসার দূরত্ব  বজায়ে রেখে ক্লাস করছে। বলতে গেলে দেড় বছর পর বিদ্যালয় গুলোতে উৎসব মুখ পরিবেশের আমেজ ছিল।  প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ভাল।