মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

নান্দাইল  প্রতিনিধি: নান্দাইলে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সৌর শক্তি সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদক বৃদ্ধি পাইলট প্রকল্পের আওতায় ঝালুয়া পানি ব্যবস্থাপনা কৃষক মাঠ স্কুলের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (১৩সেপ্টেম্বর)  দুপুর ২ টায় নান্দাইল পৌর সভার ঝালুয়া বøকের নান্দাইল
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে উদ্যোগে আয়োজন করা হয়।
নান্দাইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে নান্দাইল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নাদিয়া ফৌরদৌসি সঞ্চালনায় কুরআন থেকে তেলোয়াত করেন উপ-সহকারী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান সুমন। মাঠ দিবসে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষক জান্নাতুল নাঈম পলাশ। 

  প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ময়মনসিংহ কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মতিউজ্জামান, কৃষি প্রকৌশলী  মুনমুন  রহমান । মাঠ দিবসে ২৫ জন কৃষক কৃষাণীরা অংশ গ্রহণ করেন। 

বক্তব্যে  বক্তারা সৌর শক্তি সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদক বৃদ্ধি পাইলট প্রকল্পের আওতায় ঝালুয়া পানি ব্যবস্থাপনা কৃষক মাঠ স্কুলের মাঠ দিবসের উপর গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। 

খালিয়াজুরীতে স্বাস্থ্য-বিধি মেনে খোলা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
নেত্রকোণা প্রতিনিধি ঃ নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু হয়েছে।
রোববার ১২ সেপ্টেম্বর,খালিয়াজুরীতে করোনা মহামারীর কারণে অনেক দিন বন্ধ থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি নিদের্শনা মোতাবেক  প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুরু হয়। 
এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ-উৎসব বিরাজ করছে কিন্তু অভিভাবকদের মধ্যে ছিল এক ধরণের হতাশা কত দিন খোলা থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে এরেই মধ্যে ছিল করোনা সচেতনতা স্বাস্থ্যসামগ্রী পালন। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র, মাস্ক, হ্যান্ড-স্যানিটাইজার সহ হাত ধোয়ার ব্যবস্থা । এর আগে প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটা ক্লাসে জীবানুনাশক স্প্রে করা হয়। 
ছাত্র ছাত্রীরা ক্লাস রুমে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে সব রকম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে দেখা যায়। 
অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের  শিক্ষকরা বলেন, করোনার সময়ে পড়াশোনার যে ঘাটতি হয়েছে সেটা পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্ঠা করব। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারী বিধিনিষেধ অনুযায়ী পরবর্র্তী নিদের্শনা না দেওয়া পর্যন্ত এভাবে পাঠদান অব্যাহত থাকবে এবং আমরা সবাই যদি এভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে চলি খুব অচিরেই করোনাকে জয় করে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাব।