দুর্গাপুর মেয়র প্রার্থী তৃনমূলে ঝড় তুলেছেন...... সুমন চৌধুরী পাভেল  

দুর্গাপুর মেয়র প্রার্থী তৃনমূলে ঝড় তুলেছেন...... সুমন চৌধুরী পাভেল  

নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনা দুর্গাপুর সিমান্তবর্তী এলাকা ভিন্নজাতি বসবাস থাকায় এছাড়া বিভিন্ন প্রাকৃতিক ভরপুর থাকলেও এখনো অনেক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে সাধারণ মানুষ তাই পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে এই পৌরবাসী বেছে নিতে চায় এমন একজন যে নাকি মানুষের কাছাকাছি থাকতে পারে স্থানীয় বেশ কিছু লোক জনের সাথে কথা বলে জানা যায় আগে থেকেই তৃনমূলে সাধারণ ভোটারদের মুখে আলোচনায় রয়েছেন দুর্গাপুর উপজেলার বাগিচাপাড়ার ৫নং ওয়ার্ডের সুমন চৌধুরী (পাভেল) তিনি ছাত্র রাজনৈতিক থেকে শুরু করে এখনো পর্যন্ত হামলা মামলা নির্যাতন সহ করে আওয়ামীলীগ এর রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে ভূমিকা রাখছেন। তিনি স্বাধীনতার পক্ষের পরিবারের সন্তান এবং দুর্গাপুরের রাজনৈতিক সিংহ পুরুষ হিসাবে ক্ষেত মরহুম জালাল তালুকদারের বিশ্বস্ত সহচর ছিলেন, পরবর্তীতে দুর্গাপুর উপজেলার যুবলীগের সহ-সভাপতি, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক উপজেলা যুবলীগ, দুর্গাপুর উপজেলার সাবেক সাংগাঠনিক সম্পাদক শেখ রাসেল সংসদ, ১৯৯১ সালে ছাত্রলীগ রাজনীতিতে পরবর্তীতে আবার সুসং ডিগ্রী কলেজের ভিপি প্রার্থীও ছিলেন। তিনি প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সার্বিক সহযোগীতার মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনের দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য পাড়ামহল্লা উঠান বৈঠক এর মাধ্যমে দলের পক্ষের প্রতিটি নির্বাচনে প্রতিটি প্রার্থীকে বিজীয় ছিনিয়ে এনে তৃনমূলে সাধারণ মানুষের মাঝে আস্থা গ্রহনের মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। যার কারনে দুর্গাপুর পৌরবাসী তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখার মত এবং আশা আঙ্খা রাখছেন। তিনি পৌরসভার মেয়র হয়ে যেসব সমস্যা রয়েছে সেসব সমস্যা সমাধানের আশা আঙ্খা রাখছেন সাধারণ ভোটাররা তিনি আওয়ামীলীগ এর রাজনৈতিক করতে গিয়ে তার অর্থনৈথিক ভাবে খতিগ্রস্থ ও পরিবারের লোকজন হয়রানি এবং তিনি নিজে বেশ কয়েক বার মৃত্যুর মুখো মুখী থেকে বেচে রয়েছেন তাছাড়া বিরোধী দলের হামলা মামলা বলে শেষ করা যাবেনা। বিগত বিএনপি জামাত জোট সরকরের আমলে মিছিল মিটিং গণতন্ত্র পূনরুদ্ধারের করতে গিয়ে অসংখ্য মিথ্যা মামলা একাদিক আক্রমন এর শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থেকে সেখানেও আক্রমন এর শিকার হতে হয়েছে। যেমন, তাৎকালীন জোট সরকারের আমলে মিছিলে মৃত্যুর মুখো মুখী হয়ে হামলার শিকার হেয়ে আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হলে সেখানেও ময়মনসিহের জোট সরকারের কেডারদের ধারায় তার শরীরে ৮টি স্টেপ করে যার যন্তানায় এখনো পর্যন্ত ভোগছেন। সে সময়ে আওয়ামীলীগের কেন্দীয় নেতা (মরহুম সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত, মরহুম ভাষা সৈনিক মোঃ শামসুল হক, পিন্সিপাল মতিউর রহমান, মরহুম জালাল উদ্দিন তালুকদার প্রমুখ) তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেখতে যান। দীর্ঘ ৬ মাস মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে তিনি সুস্থ হয়ে আবারও রাজনীতিতে সক্রীয় হন। পরবর্তীতে আবার ২০০১ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র করে কাকৈরগড়া ইউনিয়নের মারফত আলী হত্যা মামলা তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা মামলায় আসামী করা হলে দীর্ঘ কয়েক বছর পলাতক থেকে তিনি পরবর্তীতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করলে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় তার মামলার নিষ্পত্তি হয়। এমনকি তিনি ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে আহত অবস্থায় গ্রেফতার হয়। যেসব কর্মকান্ডের মাধ্যমে তিনি মানুষের আলোচনায় আসেন যেমন, বন্যা খবলিত সময়ে ত্রাণ এবং নগদ অর্থ নিয়ে মানুষের পাশে থাকা করোনা মহমারীর শুরু থেকে দলীয় নেতা কর্মী ও প্রশাসনের সঙ্গে থেকে পাড়ামহল্লায় প্রতিটি মানুষকে মার্কস ও সেনিটাইজার বিতরণ সহ সচেতনমূলক পরামর্শ দেওয়ার পাশা পাশি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দ্বায়িত্ব থেকে তাদের কে সার্বিক সহযোগীতা করে তাদের আস্তা তৈরি করা। এছাড়াও নিরাপদ সড়ক চাই, দুর্গাপুর সাহিত্য সমাজ, সোমেশ্বরী নদী ভাঙ্গন এবং বাদ নির্মাণ সহ অসহায় দরিদ্র মানুষের বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে মানুষের পাশে থেকে আস্তা অর্জন করার কারনে তৃনমূলে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি আলোড়ন সৃষ্টি মাধ্যমে বর্তমানে মেয়র প্রার্থী হয়ে জনপ্রীয়তায় আলোচনার ঝড় তুলেছেন।